পোষাপ্রাণি সবার জন্য নয়

পোষাপ্রাণি থাকলেই অলৌকিক ভাবে মানসিক রোগ ভাল হয়ে যাবে এমন ধারনা করা ঠিক না। পোষাপ্রাণি তাদের জন্য উপকারী ও আরামদায়ক যারা গৃহে প্রাণি পোষতে ভালবাসেন ও পছন্দ করেন। আপনার যদি কোন পোষাপ্রাণি না থাকে বা আপনি প্রাণি পোষতে পছন্দ না করেন তা হলে পোষাপ্রাণি থেরাপি বা আপনার জীবনের কোন পরিবর্তনের জন্য পোষাপ্রাণি কোন ভূমিকা রাখতে পারবে না। এতে শুধু প্রাণি পোষাই হবে বাস্তব কোন উপকার পাওয়া যাবে না। কিছু অসুবিধা নিম্নরূপ-

পোষাপ্রাণির জন্য টাকা খরচ: ক্রয় করার জন্য খরচ, প্রতিদিনের জন্য খরচ, লাইসেন্স খরচ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য খরচ, আবাসস্থলের জন্য খরচ ও অন্যান্য মেইনটেনেন্স খরচ। একজন বেকার, বৃদ্ধ, ও সীমিত আয়ের ব্যক্তির জন্য এসব খরচ মিটিয়ে প্রাণি পোষা বেশ কষ্টকর।

পোষাপ্রাণির জন্য সময় ও মনোযোগ প্রয়োজন: আপনি আপনার পোষা কুকুরটি তার ঘরে সারাদিন আটকে রেখে নিয়মিত খাবার দিচ্ছেন আবার চিন্তা করছেন এ থেকে তো কোন থেরাপিক উপকার পাচ্ছেন নাহ্যাঁ, কুকুরের প্রতিদিন সু-আনুপাতিক ব্যায়াম ও বিশ্রাম প্রয়োজন। অন্যান্য পোষাপ্রাণিরও প্রতিদিনের দেখাশুনা ও যত্নের প্রয়োজন রয়েছে। এরাও সামাজিক যোগাযোগ করে থাকে। শুধুমাত্র সীমিত সময়ের জন্য এদেরকে একা রাখা যেতে পারে।

পোষাপ্রাণি ক্ষতির কারণ হতে পারে: যে কোন পোষাপ্রাণিরই মাঝেমধ্যে ভুল বা অসাবধানতা-বশত বিভিন্ন ত্রুটি হতে পারে, যেমন- বিড়াল আসবাবপত্র নষ্ট কনতে পারে, কুকুর জুতা চিবোতে পারে ইত্যাদি। যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্ষতিকর ও বর্জনীয় আচরণগুলো কমানো সম্ভব।

 পোষাপ্রাণির জন্য দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন: আকার বা প্রজাতি কোন বিষয় না, মালিক দায়িত্বশীল না হলে অধিকাংশ কুকুরই মানুষকে আঘাত করতে পারে। এমনকি বিড়ালও কামড়াতে বা আঁচড় দিতে পারে। প্রাণির মালিককে যে কোন ধরনের ক্ষতি বিশেষ করে শিশুদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে।

কিছু লোকের জন্য পোষাপ্রাণি ক্ষতিকর: এলার্জির মতো কিছু রোগ মানুষের হাতের সাহায্যে প্রাণির দেহ বিশেষ করে কুকুর ও বিড়াল থেকে মানবদেহে প্রবাহিত হয়ে থাকে। সুতরাং আপনি একজন পোষাপ্রাণির মালিক হওয়ার পূর্বে এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। আপনার কোন বন্ধু বা আত্মীয় যাদের এলার্জি আছে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলে তাদেরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পোষাপ্রাণি থেকে ক্ষতি কমানোর উপায়:

শিশু, গর্ভবতী ও কিছু দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন লোক প্রাণি থেকে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশী। এসব ক্ষতির পরিমাণ কমানোর কিছু টিপস-

 যে কোন প্রাণি স্পর্শ করার পর হাত ভাল করে ধৌত করতে হবে।
আপনার পোষাপ্রাণি সবসময় পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর রাখুন এবং নিয়মিত টীকা দিন।
৫ বছরের কম বয়সের শিশুরা যখন পোষাপ্রাণির সংস্পর্শে যায় তখন বিশেষ সতর্ক থাকুন।

পোষাপ্রণিকে চুমো দেওয়া থেকে আপনার শিশুকে বিরত রাখুন এবং  হাত বা কোন বস্তু দ্বারা স্পর্শ করার পর তা মুখে দেওয়া থেকে বিরত রাখুন।

গর্ভাবস্থায় লিটারবক্স বা ময়লার ঝুড়ি পরিবর্তন থেকে বিরত থাকুন, কারণ টক্সোপ্লাজমসিস ও প্যারাসাইটিক ডিজিস্ সাধারণত বিড়াল থেকে ছড়ায়।

Comments

Popular posts from this blog

Star Delta Starter Line Diagram and Its Working Principle

ELECTRICAL DISTRIBUTION BOARD DB WIRING

SURGE ARRESTERS SPECIFICATION FOR 132 KV & 33 KV LINE

স্ট্যাটিক ইলেকট্রিসিটি এর বাস্তব ব্যাবহার

CABLE FITTING BOXES AND GLANDS

You Should Know all About Fire Extinguisher Using Guide

All Bangla Newspaper

ভুমিকম্পের কল্প কথা

INDUSTRIAL LABOUR AND GENERAL LAWS: CONSTRUCTION PROJECT IN BANGLADESH

Why DC System Is More Dangerous Than AC System?

wazipoint

DMCA protected